ওরে ডেকে দে দে লো

ওরে ডেকে দে দে লো, মহুয়া-বনে ফুল ফোটাতো
বাজিয়ে বাঁশি কে।
বনের হরিণ নাচাত, পাখিকে গান গাওয়াত, ঢেউ ওঠাতো
ঝর্ণাজলে—পাহাড়তলিতে॥

তার গানের কথা জানিয়ে দিত ফুলের মধুকে,
তার সুরের নেশা করতো ব্যাকুল মনের বঁধুকে গো
মনের বঁধুকে
বুকের মাঝে বাজতো নূপুর চপল হাসিতে লো
তার চপল হাসিতে॥

আঁধার রাতে ফোটাত সে হলুদ গাঁদার ফুল
সে বন কাঁদাত, মন কাঁদাত, কাজ করাত ভুল লো
কাজ করাত ভুল।

আর সে বাঁশি শুনি না
ধোঁয়ার ছলে কাঁদি না,
আর রাঙা শাড়ি পরি না,
নোটন খোঁপা বাঁধি না,
আমি রইতে নারি না হেরে সেই বন-উদাসী লো
বন-উদাসীকে॥