কবি ও দেবতা-পীর

মন্দির দরগার মতো দুহাতে, দেহের অংশে বাঁধা
কুটোর ডগায় কতো টুকরো ইট, পাথরের ডুমো,
কে কী যে মানৎ করে, কে যেন মানৎ করে আছে।
চেয়ে গেছে মনে মনে, উচ্চারণে নয়।

সোচ্চার প্রার্থনা ভুল ভণ্ডুল হবার জন্যে করে,
মানুষ ঠেকেও শেখে না, তাই বোকার কষ্ট পায়!
দুহাত ভরাতে গিয়ে বারবার ফাঁকা করে আসে-
না, ফেলে ছড়িয়ে নয়। চেয়ে-চিন্তে, কিছুই না পেয়ে!

ওলাবিবি থানে দ্যাখো বটঝুরি ভরে ঝুলে আছে-
কুটোর ডগায় ইট, কতোশতো, হাজারে হাজারে।
ঝড়ে ও বাতাসে ছিঁড়ে, অনগ্রহণে পড়ে আছে-
দেবতা নিল না ব’লে কটু ও কাটব্য কিছু নেই।

অনুযোগ অভিযোগ মানুষ মানুষে শুধু করে।
দেবতা পাথর, জন্মউদাসীন, নির্বাচনপ্রিয়-
সকলের সব কথা শুনতে গেলে মর্যাদা থাকে না।
যেমন, কবিকে, মাঝেমধ্যে বড় নিষ্ঠুরতা টানে?