স্বপ্নের কবিতা

আমি তো দাঁড়িয়ে ছিলাম পাশে, সামনে বিপুল জনস্রোত
হলুদ আলোর রাস্তা চলে গেছে অতিকায় সুবর্ণ শহরে
কেউ আসে কেউ যায়, কারুর আঙুল থেকে ঝরে পড়ে মধু
কেউ দাঁতে পিচ কাটে, সুবর্ণষ্ঠীবীর স্মৃতি লোভ করে
কেউ বা ছুঁয়েছে খুব লঘু যত্নে, সুখী বারবনিতার
তম্বুরা যুগল হেন পাছা
কারো চুলে রত্নচ্ছটা, কারো কণ্ঠে কাচা-গন্ধ বাঘনখ দোলে
আমি তো দাঁড়িয়ে ছিলাম পাশে, সামনে বিপুল জনস্রোত।

কোথায় সুবর্ণ সেই নগরীটি? কোন্‌ রাস্তা হলুদ আলোয় আলোকিত?
কে দাঁড়িয়ে ছিল সেই পথপ্রান্তে? আমি নয়, কোনোদিন দেখিনি সে পথ
আঙুলে কী করে ঝরে মধু? কেউ কণ্ঠে রাখে কাঁচা বাঘনখ?
কিছুই জানি না আমি, এমন কি সুবর্ণষ্ঠীবীর ঠিক বানানেও রয়েছে সন্দেহ
তবু কেন কবিতা লেখার আগে এই দৃশ্য, অবিকল সম্পূর্ণ অটুট
স্বপ্ন, কিংবা তার চেয়ে বেশি সত্য হয়ে ওঠে, আমার চৈতন্যে বেঁধে সূঁচ
প্রায় কোনো কাটাকাটি না করেই অফিস-টেবিলে বসে আমি
ঐ দৃশ্য লিখে যাই।