সূচনা

সে কাব্য অনেক। তার মূল ছন্দ, গাছ।
পাতায় বলির রক্ত নিয়ে সেও পাতা।
সে অনেক নৃত্য। তার মূল পদতলে
মাটির বিরাট, রুক্ষ হাতখানি পাতা।

সে কত সমুদ্র। তার আদিমুখ জলে।
তলভূমি শুষে তুলে পাহাড় ওঠায়—
সে যত প্রান্তর—পশুচারণের দলে
তত সে দৌড়—তত রাখালকে হারায়।

সে ছন্দ অনেক। তার মূল বৃক্ষ, নাচ।
তবু, বৃক্ষ, তুমি কত দাবানলে ছাই
আমি ছাই তাড়া করি—ধরি—আমি সেই
কাব্য ভেঙে পরমাণু-ঘূর্ণি খুঁজে পাই।

[সম্পর্ক: নীলস্ বোর: ১৯১৩]